বৃত্তি দাতার নামঃ লায়ন ডা. মৃদুল বড়ুয়া চৌধুরী।
লায়ন ডা. মৃদুল বড়ুয়া চৌধুরী ১৯৪৯ সনের ৬ জানুয়ারী চট্টগ্রাম জেলার পটিয়াস্থ করল গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা চিত্তরঞ্জন বড়ুয়া চৌধুরী ছিলেন একজন স্বনামখ্যাত চিত্রশিল্পী ও সমাজ দরদী। মাতা স্নেহলতা চৌধুরী ছিলেন পূণ্যব্রতী গৃহিণী। লায়ন ডা. মৃদুল বড়ুয়া চৌধুরী পিতা -মাতার সুযোগ্য সন্তান হিসেবে পটিয়া কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী এবং বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক কলেজ থেকে হোমিওপ্যাথিতে ডাক্তারি পাশ করেন। ডা. মৃদুল একজন সফল হোমিওপ্যাথি ওষুধ ব্যবসায়ী। ব্যবসা প্রসারের সাথে তিনি সমাজসেবা, স্বধর্ম প্রসারে, শিক্ষা উন্নয়নে প্রভূত অবদান রেখে চলেছেন। তিনি জার্মানিস্থ ড. উইলমার শোয়াবে ডিএইইউ, ভারতস্থ ড. উইলমার শোয়াবে ইন্ডিয়া (প্রাইভেট) লি. ও বাকসন ড্রাগস এন্ড ফার্মাসিউটিক্যালস লি. এর বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে এলাকায় তাঁর অবদান সর্বজন প্রশংসিত। স্বধর্মের উন্নয়নে করল বিশুদ্ধানন্দ সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। স্বাস্থ্যসেবার জন্য করলে অমল চৌধুরী কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য জমি দান করেন। এছাড়াও অসাম্প্রদায়িক চেতনার একজন মহান ব্যক্তি হিসেবে তিনি করল কৃষ্ণ চৈতন্য ধামের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি হোমিও স্বাধীনতা ডাক্তার পরিষদের সভাপতি, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহ-সভাপতি, ইন্টারন্যাশনাল হোমিও হলের চেয়ারম্যান, ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের অন্যতম ব্যাবস্থাপনা পরিচালক, হোমিওপ্যাথিক ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ লায়ন ডা. মৃদুল বাবু লায়নস ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন কর্তৃক Melvin Jones Fellow (MJF) জার্মানী থেকে সর্বোচ্চ ইমপোর্টার এ্যাওয়ার্ড ২০০৮, বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সি এ্যাওয়ার্ড ২০০৯, মহাত্মা গান্ধী পিস এ্যাওয়ার্ড ২০১২, থাইল্যান্ড থেকে দি আউটস্ট্যান্ডিং ওয়ার্ল্ড বুড্ডিস্ট লীডার এ্যাওয়ার্ড ২০১৫ এবং সেন্টার অব এক্সেলেন্স থেকে স্বধর্ম শোভন উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। ডা. মৃদুল বাবু একজন দানশীল ব্যক্তি। তিনি মসজিদ মন্দির বিহারে অকাতরে দান করেন। ডা. মৃদুল বাবুর দুই ছেলে এক কন্যা। বড় ছেলে তাঁর সঙ্গে ব্যবসায় সহযোগিতা করেন, দ্বিতীয় ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে, তাঁর কন্যাও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন।